মৌর্য সম্রাট বিন্দুসার।

author photo
- Wednesday, March 13, 2019
advertise here

বিন্দুসার।

চন্দ্রগুপ্তের সিংহাসন ত্যাগের পর তার পুত্র বিন্দুসার (৩০০-২৭৩ খ্রি: পূ:) সিংহাসনে বসেন। তার উপাধি ছিল অমিত্রাঘাত বা শত্রুনিধনকারী। বিন্দুসারের পত্নী ছিলেন চারুমিত্রা ও
সুভদ্রাঙ্গী। বিন্দুসারের পুত্র ছিল সুসীম, অশোক ও বীতাশোক। বিন্দুসারের মাতার নাম ছিল দুর্ধরা। বিন্দুসার আজীবক ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। তার রাজত্বকালের কোন বিবরণ পাওয়া যায় না।

তিব্বতীয় ঐতিহাসিক লামা তারানাথ এর রচনা থেকে জানা যায়, কৌটিল্যে বিন্দুসারের রাজত্বকালে কিছুকাল তার মন্ত্রী ছিলেন এবং এ সময়ে তিনি ১৬ টি শহরের নৃপতি ও অভিজাতদের ধ্বংস করে বিন্দুসারের সাম্রাজ্য পূর্ব সাগর থেকে পশ্চিম সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করেন। তার রাজত্বকালে তক্ষ শিলায় এক বিদ্রোহ দেখা দেয়। যুবরাজ অশোক এই বিদ্রোহ দমন করেন।

পিতা চন্দ্রগুপ্তের মতো তিনি গ্রীক রাজ্যগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। সিরিয়ার রাজা সেলুকাসের পুত্র প্রথম অ্যান্টিওকাস মেগাস্থিনিসের পরে তার রাজসভায় ডেইমেকস নামে এক দূত পাঠান। মিশর রাজ টলেমি ফিলাডেলফাস মৌর্য রাজসভায় ডায়নিসাস নামে দূত পাঠান।

বিন্দুসার শান্তিকামি শাসক ছিলেন। তিনি দার্শনিক ও চিন্তাবিদদের পৃষ্টপোষকতা করতেন এবং আজীবক সন্ন্যাসীদের নানাভাবে সাহায্য করেছেন। তার প্রধান কৃতিত্ব হল পিতৃ সাম্রাজ্য অক্ষুণ্ণ রাখা।
Advertisement advertise here